গভীর রাতে তাহেরপুরে পুলিশের বড় সাফল্য
আ*গ্নে*য়াস্ত্র ও গু*লি-সহ গ্রে*ফ*তার ৪, বড়সড় অপ*রাধের ছক ভেস্তে দিল পুলিশ
গভীর রাতের অন্ধকারে বড়সড় অপরাধের আশঙ্কা, আর সেই আশঙ্কাকেই সময়মতো রুখে দিল তাহেরপুর থানার পুলিশ। গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চালানো অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি-সহ চার যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, আনন্দনগর এলাকায় কোনও গুরুতর অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটানোর উদ্দেশ্যেই তারা সেখানে যাচ্ছিল।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার গভীর রাত প্রায় ১২টা ১৫ মিনিট নাগাদ খবর আসে যে রানাঘাটের মালটানা এলাকা থেকে একটি সাদা রঙের গাড়ি বিননগরের দিকে ঢুকছে। ওই গাড়িতে থাকা তিন থেকে চারজন যুবকের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে এবং তারা তাহেরপুর থানার অন্তর্গত আনন্দনগর এলাকায় কোনও অপরাধ সংগঠিত করার পরিকল্পনা করছে বলেও নির্দিষ্ট তথ্য পায় পুলিশ।
খবর পাওয়া মাত্রই তৎপর হয়ে ওঠে তাহেরপুর থানার পুলিশ। ওসি জয় দাসের নেতৃত্বে একাধিক পুলিশ আধিকারিক ও ফোর্স নিয়ে বিননগর বড়বাজার এলাকায় শুরু হয় নাকা চেকিং। কিছুক্ষণের মধ্যেই সন্দেহভাজন গাড়িটিকে চিহ্নিত করে ঘিরে ফেলে পুলিশ।
এরপর গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পিছনের সিটে বসে থাকা এক যুবকের কাছ থেকে একটি লোডেড দেশি পিস্তল উদ্ধার হয়। আরও এক যুবকের কাছ থেকে উদ্ধার হয় দু’রাউন্ড তাজা গুলি। পাশাপাশি গাড়ির চালক ও সামনের সিটে বসে থাকা আরও এক ব্যক্তিকেও আটক করা হয়। মোট চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ধৃতদের থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। পুলিশের দাবি, ধৃতদের উদ্দেশ্য এবং তাদের সঙ্গে অন্য কোনও দুষ্কৃতী চক্রের যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই অস্ত্র আইনের একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি এবং ব্যবহৃত গাড়িটি।
ঘটনার জেরে তাহেরপুর ও সংলগ্ন এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশের এই তৎপরতায় সম্ভাব্য বড়সড় অপরাধ এড়ানো গিয়েছে বলেই মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। তদন্তে নেমে পুরো ঘটনার নেপথ্যে আর কারা জড়িত, সেই দিকেও নজর রাখছে পুলিশ।