বিকল এসি, ওপিডিতে আবর্জনার স্তূপ,নদীয়ার কল্যাণী জেএনএম হাসপাতাল এখন পরিণত হয়েছে নরক কুণ্ডতে।
চারটি জেলার নির্ভরশীল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এতদিন চলত তৃণমূলের মদতপৃষ্ট সিন্ডিকেট রাজ। নীল সাদা রংয়ের আড়ালে গজিয়ে উঠেছিল দালালচক্র। গত ১৫ বছর এই মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে সঠিক পরিষেবা পায়নি মানুষ, বছর বছর সরকারের দেওয়া অনুদান লুটেপুটে খেয়েছে দালাল চক্ররা। এখন নদীয়ার কল্যাণী জেএনএম হাসপাতাল নরক কুণ্ডতে পরিণত হয়েছে। যদিও দায় স্বীকার করে নেন বর্তমান হাসপাতাল সুপার, শুধু তাই নয়, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়ে দুঃখ প্রকাশও করেন তিনি! বর্তমানে কল্যাণী জিএনএম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিকল এসি, ওপিডিতে আবর্জনার স্তূপ, রোগী পরিষেবার ঘরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে জীবাণু যুক্ত আসবাবপত্র নদীয়ার গর্ব তথা দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম বৃহৎ চিকিৎসাকেন্দ্র কল্যাণী জহরলাল নেহেরু মেমোরিয়াল হাসপাতাল টি এখন তিল তিল করে ধ্বংসের পথে। যে হাসপাতালের ওপর নির্ভর করে রয়েছে নদীয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি এবং মুর্শিদাবাদের মতো চারটি জেলার লক্ষ লক্ষ মানুষ, সেই হাসপাতালের পরিকাঠামো কি এখন তিল তিল করে ধ্বংসের পথে। একদিকে গরমে হাসফাস করছেন রোগীরা, অন্যদিকে হাসপাতালের ভেতরেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বিপজ্জনক চিকিৎসা বর্জ্য। দীর্ঘদিন ধরে বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে এসি। হাসপাতালের এই কঙ্কালসার দশা নিয়ে এবার শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। সুপারের দায়সারা মন্তব্যের পাল্টা আক্রমণ শানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির দাবি, এই মেডিকেল কলেজকে হাতিয়ার করে এতদিন লুটপাট চলেছে, চলেছে সিন্ডিকেট রাজ, ভরে গেছে দালাল চক্র, ব্লাড ব্যাংক থেকে শুরু করে, ওপিডি আই সি ইউ এইচডি ইউ এবং সি সি ইউ সব ক্ষেত্রেই বর্তমান বিকল অবস্থা। তাহলে প্রত্যেক বছর মেডিকেল কলেজের উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ গেল কোথায়, এখন থেকে এই সিন্ডিকেট রাজ আর চলবেনা। নতুন প্রাণ ফিরে পাবে নদীয়ার কল্যাণীর জি এন এম মেডিকেল এন্ড হসপিটাল।