১)হোটেল থেকে মিলল পচা মাংস! সল্টলেক এবং মধ্যমগ্রামের প্রশাসনিক অভিযান। একদিকে বেআইনি হোটেল রেস্তোরাঁ ভরে গেছে। অন্যদিকে এই অস্বাস্থ্যকর পচা মাংস খাওয়ানো এটা বহুদিন ধরে চলে আসছে। সবে সবে আমাদের প্রশাসনের তরফ থেকে অভিযান শুরু হয়েছে। যেখানেই গ্রাহকদের থেকে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে অভিযান হচ্ছে। এটা করতে সময় লাগবে, অনেকদিন ধরে এই প্র্যাকটিস হয়ে আসছে। বেআইনিভাবে সরকারি জায়গায় হোটেল হয়েছে, কোন বিধি মানা হয়নি। বেশিরভাগ হোটেল রাস্তার ধারে, সেখানে পরিছন্নতা এবং স্বাস্থ্যবিধি মানা হয় না। সেই রকম হলে তো সবগুলোই বন্ধ করে দিতে হয়, আমরা প্রশাসন থেকে চেষ্টা করছি। যারা নিজের জায়গায় হোটেল করেছেন প্রয়োজনীয় অনুমতি লাইসেন্স নিতে হবে তবে চলবে। যারা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত আছেন তাদের সতর্ক থাকা উচিত। নিয়মকানুন মেনেই করা উচিত।
২)অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর হাজিরা।আপনার কাছে ফুটেজ আছে, উনি আদালতে যান। কিন্তু উনি যেটা করেছেন, সেটা ঠিক নয়। সেটাই পুলিশ বলেছে। সবকিছু ঠিকঠাক আছে কিনা সেটাই দেখতে গিয়েছিল। এতে অসন্তুষ্ট হওয়ার কি আছে? উনি নেতা লোক। যদি আইনের বাইরে কাজ করেন, তাহলে সমাজে ভুল বার্তা যাবে। সেটা করা উচিত নয়।
৩)এবার হিঙ্গলগঞ্জ, সেখানেও ধর্মান্তকরণের চেষ্টা।সুন্দরবন এলাকা জঙ্গলমহলে এবং কলকাতার বস্তি এলাকায় কিছু জায়গায় ধর্মান্তকরণের চেষ্টা চলছে। এই খবর আমাদের কাছেও থাকে। এগুলো ঠিক নয়, আগের সরকার এই সব বিষয়গুলো দেখত না। ভোটের কথা মাথায় রাখতো। কিন্তু এতে সমাজে একটা বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। পুলিশ কিছু কিছু ব্যবস্থা নিয়েছে। ধীরে ধীরে এগুলো বন্ধ হবে। সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকতে হবে, এই ধরনের ধর্মান্তকরণের ফলেই দেশভাগ হয়েছে আমাদের। সেটা যাতে দ্বিতীয়বার না হয়, সেই জন্য কাউকে অনুমতি দেওয়া হবে না।
৪)পাকিস্তানে হিন্দু মন্দির ভাঙ্গা হলো!পাকিস্তান যদি নিজের দেশকে গড়ার চেষ্টা করত তাহলে এই দুর্দশা হতো না। তারা এটা না করে অন্য ধর্মের লোককে উৎপিরণ করা। অন্য ধর্মের ধর্মস্থান নষ্ট করা। এতেই বেশি সময় দিয়েছে। এর ফলে উন্নত দেশ কিভাবে ধ্বংস হয় পাকিস্তানকে দেখলেই তা বোঝা যায়। আজ বাংলাদেশেও শুরু হয়েছে। এসব তাদের নিজের অস্তিত্বকেই বিপন্ন করবে। পৃথিবীতে এইভাবে কোন দেশ বড় হতে পারেনি। এটা ওদের নিজেদের দেশের মধ্যে হচ্ছে আমরা বড়জোর বলতে পারি। তবে সংখ্যালঘুদের অত্যাচার এটা ওদের ফ্যাশন। ধর্মস্থান ভেঙ্গে দেওয়া এটাও ওদের ফ্যাশন। জানিনা এর মধ্যে কি ধর্ম আছে? আর কি লাভ আছে! এটা চলছে ওদের ওখানে আর এতে ওদেরই সর্বনাশ হচ্ছে।।
৫)পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্র থেকে আসছে পেঁয়াজ। ৩৫ টাকা কিলো দরে ন্যায্য মূল্যের দোকানে।কেন্দ্রীয় সংস্থা নাফেডের তরফ থেকে আমাদের এখানে পেঁয়াজ দেওয়া শুরু হয়ে গেছে। ৩৫ টাকা কিলো দু কিলোর প্যাকেট ৭০ টাকায়। আমিও উদ্বোধন করেছি। নাসিকে যখন পেঁয়াজ উৎপাদন হয় তখন এই সংস্থা পেঁয়াজ কিনে রাখে। এখন পশ্চিমবাংলায় যখন পেঁয়াজের দাম বাড়তে শুরু করেছে তখন নাসিক থেকে এই সংস্থার গাড়ি আসছে এবং বিভিন্ন জেলাতে সেই পেঁয়াজ পাঠানো হচ্ছে।
৬)ব্রাজিল ভারত খেলা! আজ থেকে টিকিট! শান্তিপূর্ণ হবে তো?আশা করি এবার ঠিকঠাক হবে। বেশি নেতারা যদি ইনভলভ হন তাহলেই গন্ডগোল হয়। গত বছর নেতারা মেসিকে নিয়ে মোটামুটি তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদানই করিয়ে দিয়েছিলেন। যেভাবে তার সঙ্গে ব্যবহার করা হয়েছিল। বাড়ির লোকজন চাকর বাকর নিয়ে গিয়ে ছবি তোলা হয়েছিল। আর যারা পয়সা দিয়ে টিকিট কেটেছিল তারা দেখতেই পায়নি। কিছুই দেখা হলো না শুধু একটা সার্কাস হলো।
সেই ঘটনার তদন্ত এখনো চলছে। যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাদেরকে সাজা পেতে হবে।