AMAR BANGLA NEWS

দিলীপ ঘোষ সাংবাদিক সম্মেলন

১) ভাইপো আপাতত রাতের ঘুম বাদ দিলে রোজ সারাদিন জেরার মুখে। সবে তো শুরু। রাস্তা খোলা। সবাইকে হাঁটানো হবে। কেউ...

১) ভাইপো আপাতত রাতের ঘুম বাদ দিলে রোজ সারাদিন জেরার মুখে।

সবে তো শুরু। রাস্তা খোলা। সবাইকে হাঁটানো হবে। কেউ আগে ঢুকবে। কেউ পরে ঢুকবে। যেরকম তথ্য আসবে সেরকম ভাবে পুলিশ এগোবে।

 

২) কুণাল ডিম

পাবলিক দারুন প্র্যাকটিস করে তারপর ছুঁড়ছে। যেখানে টিপ করছে সেখানে লাগছে। আমার মনে হয় ওদের অন্য কোথাও অনুশীলন করিয়ে তারপর পাঠানো হচ্ছে। কুনাল ঘোষ জানতেন তিনি ডিম খাবেন। তিনি বলেই গেছিলেন তিনি যাই হোক কালীঘাট যাবেন। কিন্তু উনি কাঁচা ডিম খাবেন ভাবেন নি। আরেকজন সংসদ বিদেশে বসে ভিডিও করে জানাচ্ছেন তাকে ডিম মারলে কোর্টে ঘোরানো হবে। উনি একবার এসে দেখুন। ওনার ভাগ্যে কাঁচা না পাকা কোন ডিম অপেক্ষা করছে।

 

৩) অনন্যার অফিসে মোচ্ছবের প্রমাণ।

পার্টি অফিস থেকে বিশ্ববিদ্যালয়। সবকটা হয়ে গেছে প্রস কোয়ার্টার। পার্টি অফিস তৈরি হয়েছিল পয়সা তোলার জন্য। শাহাজাহান সরকারি ফেরিঘাট দখল করে পার্টি অফিস বানিয়ে তোলাবাজি করত। বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শুঁড়ি খানা তৈরি হয়েছে। মমতা ব্যানার্জি বিধানসভায় বিল পাস করিয়ে একের পর এক বিশ্ববিদ্যালয় করে গেছেন। ইউনিভার্সিটি কলেজ গুলো সমাজবিরোধীদের দখলে চলে গেছিল। তারাই নেতা। তারাই ভর্তি করবে। তারাই কলেজে আসা মেয়েদের ভোগ করবে। এদের ফাঁসি দেওয়া উচিৎ।

 

৪) ঈদের নামাজে না। প্রধামন্ত্রীর যোগায় হ্যাঁ। রেড রোড নিয়ে দ্বিচারিতার অভিযোগ।

প্রধানমন্ত্রী এলে রাস্তা তো বন্ধ হবেই। উনি ছুটির দিন দেখে আসছেন। রাস্তা বন্ধ না হলে ওখানে যোগদানকারী মানুষের সমস্যা হবে। নামাজের ১৫ মিনিটের জন্য কতক্ষণ রাস্তা আটকে রাখা হতো? জানেন তো। আর ওরা কোন হরিদাস পাল যে ওদের রাস্তা আটকে নামাজ পড়তে দেওয়া হবে? প্রধানমন্ত্রীর জন্য তো রাস্তা আটকাতে হবে। মুখ্যমন্ত্রীর জন্যেও হবে। আপত্তি থাকলে বাংলাদেশে চলে যান। সরকার পাল্টে গেছে। লোকজন পাল্টে গেছে। এগুলো বন্ধ তো হবেই।

 

৫) অনন্যার হাতি বাড়ি এবং মেকাপ রুম।

কাউন্সিলর ১০ হাজার টাকা মাসিক ভাতা পান। সেই টাকায় এগুলো হয়? স্থানীয় লোকজনকে জিজ্ঞাসা করুন। তাদের শোষণ করা হয়েছে। লুঠ করা হয়েছে। দিনের পর দিন। আমরা আগে থেকেই জানি। আপনারাও জানতেন। এতদিন মুখ খুলতে পারেননি। এবার পাবলিক মুখ খুলেছে।

 

৬) কিছুতেই হাজিরা দিচ্ছেন না অরূপ বিশ্বাস।

কোর্ট হস্তক্ষেপ করেছে। হাজিরা অনেকেই এড়িয়ে গেছিলেন। পার্থ চট্টোপাধ্যায় কেষ্ট মন্ডল। পরে সবাইকে জেলের ভাত খেতে হয়েছে। একে হয়তো সারাজীবন জেলের ভাত খেতে হবে। পরিস্থিতি সেইদিকেই যাচ্ছে।

 

৭) কলকাতা পুরসভায় বেনজির সৌজন্যের নজির মুখ্যমন্ত্রীর।

মুখ্যমন্ত্রী কে এগুলো করতে হচ্ছে। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী যেকোনো প্রশাসনিক বৈঠকে সমস্ত দলের প্রতিনিধিদের ডাকছেন। সবকা সাথ সবকা বিকাশ। মানুষ দেখুক সরকার কিরকম হয়! কিভাবে সবাইকে নিয়ে চলতে হয়! মমতা ডাকলে ওরা যায়না। মমতার ওপর ওদের ভরসা নেই। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী ডাকলেই আসছেন। আমরা একটা পরম্পরা শুরু করেছি। এই পরম্পরা দিয়েই বাংলার উন্নতি হবে।