কামারহাটি পৌরসভার অন্তর্গত এক নম্বর ওয়ার্ডের ১৯ নম্বর ঠাকুর দাস চ্যাটার্জি রোড ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে গেল।কিন্তু বড় কোন খতো আহত বড় দুর্ঘটনার থেকে বাঁচলো। এই বাড়িটির মালিক সুশান্ত চক্রবর্তী। বাড়িটি প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ বছরের পুরনো দীর্ঘ ৫০ বছরের উপর এই বাড়িতে ভাড়া নিয়ে পোস্ট অফিসটি চলতো।পোস্ট অফিস কর্তৃপক্ষ সহ ওই অঞ্চলের কাউন্সিলর এবং উপপ্রধান তুষার চ্যাটার্জি পোস্টাল ডিপার্টমেন্টের উচ্চতর আধিকারিকদেরকে জানানো হয় এবং বাড়ির মালিককেও জানানো হয় বাড়িটি রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য।দীর্ঘদিন ধরে রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ার ফলে বাড়িটি দুপুর দুটো নাগাদ বাড়ির বাইরের অংশ ভেঙে পড়ে বিরাট শব্দে ভিতরে থাকা পোস্ট অফিসের কর্মীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। এলাকার মানুষ বেরিয়ে আসে তখন দেখতে পায় বাড়িটির বাইরের অংশ ভেঙে নিচে পড়েছে এই রাস্তাটি ব্যস্ততম একটি রাস্তা প্রতি মুহূর্তে লোক যাতায়াত করে এবং গিঞ্জি অঞ্চল এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।এলাকার মানুষ ভিতরে আটকে পড়া পোস্ট অফিসের কর্মীদেরকে বের করে নিয়ে আসে ভিতরে আটকে থাকা পোস্ট অফিসের কর্মীরা যখন বাইরে বেরিয়ে আসতে থাকে সেই সময় এক পোস্টম্যানের পায়ে উপর থেকে ভেঙে পরে ইট। পোস্ট অফিসের কর্মীরাও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে কামাহটি থানার পুলিশ আসে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী ও আসে রাস্তাটিকে আটকে দিয়ে পাশ দিয়ে যাতায়াতের ব্যবস্থা করে।যাতে বড় কোন দুর্ঘটনা না ঘটে ওইখানে থাকা একটি ভ্যানে মধ্যে চায়ের দোকান ও পোস্ট অফিসের এক কর্মীর স্কুটি রাখা ছিল দুটি ভেঙে যায় কপাল গুনে বেঁচে যায় ভ্যানে চা বিক্রেতা কারণ সেই সময় তার সেখানে থাকার কথা কিন্তু সে ছিল না বলেই সে বেঁচে যায়। বড় দুর্ঘটনা থেকে রেহাই পেল এলাকার মানুষ দেড়শ বছরের কাছে পুরনো বাড়ির ভেঙে পড়ল কামারহাটিতে। সেই বাড়িতে দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে চলছে পোস্ট অফিস।
কামারহাটিতে পুরনো গাড়ি ভে*ঙে বিপত্তি
কামারহাটি পৌরসভার অন্তর্গত এক নম্বর ওয়ার্ডের ১৯ নম্বর ঠাকুর দাস চ্যাটার্জি রোড ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে গেল।কিন্তু বড় কোন খতো আহত...