AMAR BANGLA NEWS

নদীয়া জেলা পরিষদে সভাধিপতি নির্বাচনে আবার নতুন এক সমীকরণ দেখা গেল

নদীয়া জেলা পরিষদে সভাধিপতি নির্বাচনে আবার নতুন এক সমীকরণ দেখা গেল। তৃণমূলের জেলা পরিষদ সদস্য ও সদস্যরা তাদের নিজেদের দলের...

নদীয়া জেলা পরিষদে সভাধিপতি নির্বাচনে আবার নতুন এক সমীকরণ দেখা গেল। তৃণমূলের জেলা পরিষদ সদস্য ও সদস্যরা তাদের নিজেদের দলের সভাধিপতি সভাধিপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা এনে তাকে পরাজিত করেন। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই 6 জন জেলা পরিষদ সদস্য নিয়ে বিজেপি কার্যত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নদীয়া জেলা পরিষদ দখল করলো। কোন বিরোধী দলের কেউ এখানে প্রার্থী হননি। তৃণমূলের 19 জন সদস্য এদিন বিজেপি প্রার্থী প্রণতি বিশ্বাসকে সভাধিপতী পদে সমর্থন করেন। কার্যত এদেরকেই ভালো তৃণমূল বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে। জেলার সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, তৃণমূলের যারা স্বচ্ছতার সাথে জেলা পরিষদ চালাতে চেয়েছেন তারাই আমাদের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন। সেই ভোটে জিতে আমরা জেলা পরিষদ দখল করেছি। পার্টি একমাত্র উন্নয়নের প্রতীক দুর্নীতি মুক্ত প্রশাসন দিতে সক্ষম বিজেপি দল। এই কারণেই জেলা পরিষদের সদস্যরা আমাদের বিজেপি প্রার্থীকে নির্বাচিত করেছেন। নতুন সভাধিপতির কাছে প্রশ্ন করা হয় যে যাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে সেই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কি নতুন সভাধিপতি ব্যবস্থা নিতে পারবেন? এ প্রশ্ন কার যত তিনি এড়িয়ে গিয়ে বলেন দল যা সিদ্ধান্ত নেবেন সেটাই হবে। জগন্নাথ সরকার বলেন আমরা বিবেক ভোটের আহ্বান জানিয়েছিলাম। আগে আপনারা সকলেই লক্ষ্য করেছেন তৃণমূলের সভাধিপতির বিরুদ্ধে তৃণমূলের জেলা পরিষদ সদস্য রায় অনাস্থা এনেছিলেন দুর্নীতির বিরুদ্ধে তারা মুখ খুলেছিলেন। এখানে বিভিন্ন বিষয়ে কাটমানি চলত সে কথা তারা প্রকাশ্যে বলেছেন। এই কারণেই আজকের এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ভজন জেলা পরিষদ সদস্য নিয়েই আমরা এই বোর্ড গঠন করেছি আগামী দিনে স্বচ্ছতার সাথে দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন আমরা নদিয়া জেলার মানুষকে উপহার দেব। মানুষের প্রয়োজনে আমরা কাজ করব।