তারাতলার ধ্বংসস্তূপ থেকে গতকাল রাতে স্বপন মন্ডলের দেহ উদ্ধার হয়, বাড়ি বাসুদেবপুর থানার অন্তর্গত কাউগাছি কদমতলা। *পরিবারের লোকেদের দাবি যারা এই ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত তাদের যেন উপযুক্ত শাস্তি হয়।জগদ্দল এর বিধায়ক তিনিও গিয়েছিলেন পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে।
প্রথম এত দূরে কাজে যাওয়া, তারপরেই নিখোঁজ, মৃতদেহ উদ্ধার। শোকের ছায়া মন্ডল পরিবার জুরে।
তারাতলা কাণ্ডে এখনো পর্যন্ত ভাটপাড়া জগদ্দল অঞ্চলের মৃত্যু হয়। জগদ্দলের স্বপন মন্ডল, পাপ্পু রজক।
ভাটপাড়া কৃষ্ণ চৌধুরী, কার্তিক পাত্র, সন্দীপ পান্ডে।
জগদ্দল বিধানসভা অঞ্চলে দুটি বাড়িতেই যান জগদ্দল এর বিধায়ক রাজেশ কুমার তিনি পরিবারের পাশে আছেন এবং মুখ্যমন্ত্রী পরিবারগুলিকে সাহায্য করার ঘোষণা করেছেন। পাশাপাশি যারা মারা গিয়েছেন তারা প্রত্যেকেই একা রোজগার করতেন তাতেই সংসার চলত সেই কথা মাথায় রেখে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন যাতে অন্য কোন ব্যবস্থা করা যায় এই পরিবারগুলি জন্য।