এসআরএফটিআই চত্বরে হা*ম*লা ও স্বামীজির ছবি ছেঁড়ার ঘটনায় অতিবামদের তী*ব্র নি*শা*না বিজেপি নেতা রুদ্রনীল ঘোষের
বিশেষ সংবাদদাতা: সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে (SRFTI) একটি অরাজনৈতিক অনুষ্ঠান চলাকালীন মারধর, ভাঙচুর এবং স্বামী বিবেকানন্দের ছবি সংবলিত ব্যানার ও পতাকা ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। এই ঘটনায় তথাকথিত অতিবাম মানসিকতার লোকজনকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপি নেতা ও অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান:
সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যে আঘাত: সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের মতো জাতীয় স্তরের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেভাবে হামলা চালানো হয়েছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। স্বামী বিবেকানন্দের ছবি দেওয়া ব্যানার ছেঁড়া এবং অনুষ্ঠান বানচাল করার মানসিকতা স্পষ্ট করে দেয় যে এরা এ দেশের ঐতিহ্য, সনাতন সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের ঘোর বিরোধী।
বিচ্ছিন্নতাবাদী মানসিকতার অভিযোগ: আক্রমণকারীদের নিশানা করে তিনি বলেন, অতিবাম মানসিকতার কিছু লোক সবসময় হিংসা, বিশৃঙ্খলা এবং বিচ্ছিন্নতাবাদের কথা প্রচার করে। মুখে গণতন্ত্রের বড় বড় কথা বললেও কার্যত তারা শান্তি, শৃঙ্খলা এবং আইনের শাসনের বিরোধী।
ধারালো অস্ত্র নিয়ে প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগ: ক্যাম্পাসে ছুরি-কাঁচি নিয়ে ঢুকে অতর্কিতে হামলা চালানোর অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এটা কোনো সাধারণ প্রতিবাদ নয়, সুপরিকল্পিত আক্রমণ। এর বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের হওয়া অত্যন্ত স্বাভাবিক এবং প্রশাসনকে অবিলম্বে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোরতম আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে।
মেধার অপব্যবহার ও ‘ব্রেনওয়াশ’: তথাকথিত বুদ্ধিজীবী এবং কিছু অতিবাম সংগঠনের প্ররোচনা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, সহজ-সরল পড়ুয়াদের বিভ্রান্ত ও ‘ব্রেনওয়াশ’ করার চেষ্টা চলছে। যারা শিল্প, উন্নয়ন ও জাতীয় সংহতির বিরুদ্ধে স্লোগান তোলে, পরবর্তীকালে তাদের অনেকেই আবার মোটা অঙ্কের সুবিধাভোগী হয়ে ওঠে।
সবশেষে তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সাধারণ মানুষের ধৈর্য ও শান্তিপ্রিয়তার সুযোগ নিয়ে বাংলাকে অশান্ত করার এই অপচেষ্টা প্রশাসন ও জনগণ কোনোভাবেই মেনে নেবে না। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।