AMAR BANGLA NEWS

নিখোঁজ হওয়ার পরের দিনই এক গৃহবধূর ঝু*ল*ন্ত দে*হ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ালো ধূপগুড়ির ঠাকুরপাট সংলগ্ন এলাকায়

নিখোঁজ হওয়ার পরের দিনই এক গৃহবধূর ঝু*ল*ন্ত দে*হ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ালো ধূপগুড়ির ঠাকুরপাট সংলগ্ন এলাকায়। মৃ*ত মহিলার...

নিখোঁজ হওয়ার পরের দিনই এক গৃহবধূর ঝু*ল*ন্ত দে*হ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ালো ধূপগুড়ির ঠাকুরপাট সংলগ্ন এলাকায়। মৃ*ত মহিলার নাম রঞ্জিতা রায়। তিনি ধূপগুড়ির সাঁকোয়াঝোরা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। সাত মাসের শিশু সন্তানকে রেখে তাঁর এই রহস্যমৃত্যু ঘিরে এলাকায় তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে টাকা তোলার উদ্দেশ্যে নিজের সাত বছরের সন্তান কে নিয়ে এক বেসরকারি ব্যাংকে গিয়েছিলেন ওই গৃহবধূ। সঙ্গে তাঁর স্বামীও ছিলেন। ব্যাংক থেকে শিশুটিকে নিয়ে স্বামী বাড়ি ফিরে এলেও, সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই মহিলা বাড়ি ফেরেননি। দীর্ঘক্ষণ আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করার পরও স্ত্রীর সন্ধান না পেয়ে অবশেষে ধূপগুড়ি থানার দ্বারস্থ হন স্বামী। রাতে থানায় একটি লিখিত নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।

 

আজ বুধবার সকালে ধুপগুড়ি থানার অন্তর্গত ঠাকুরপাট এলাকার একটি ক্লাবের ভেতরে ওই গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ প্রথম দেখতে পান স্থানীয় কৃষকেরা। খবর দেওয়া হয় ধূপগুড়ি থানায়। মুহূর্তের মধ্যে ঘটনাস্থলে উপচে পড়ে স্থানীয় মানুষের ভিড়। পুলিশ এসে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। ব্যাংকে যাওয়ার পর ঠিক কী ঘটেছিল এবং এটি আত্মহত্যা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে জোর কদমে তদন্ত শুরু করেছে ধূপগুড়ি থানার পুলিশ। এদিন বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে প্রচুর মানুষের সমাগম হয় স্থানীয় ক্লাবে।