বিয়ের দু’বছরের মধ্যেই গৃহবধূর র*হ*স্য*মৃ*ত্যু! স্বামী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ
উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহের কল্যাণনগরে গৃহবধূ শম্পা দাসের মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ২০২৪ সালে ঘটা করে বিয়ে হয় কল্যাণনগরের শম্পা দাস ও মৃত্যুঞ্জয় দে-র। অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন অজুহাতে শম্পার উপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালাতেন তাঁর স্বামী মৃত্যুঞ্জয়। এমনকী অত্যাচার থেকে বাদ যাননি শাশুড়ি সাধনা দে-ও।
পরিবারের অভিযোগ, প্রতিদিনের মতো নিজের নয় মাসের সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে দেখা করতে এসেছিলেন শম্পা। সেই সময় স্বামী মৃত্যুঞ্জয় তাঁকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তিনি যেন আর শ্বশুরবাড়িতে ফিরে না যান। এরপর সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতেই চলে আসেন শম্পা। কিন্তু সন্তানের খাবার সঙ্গে আনতে না পারায় তা নিতে ফের শ্বশুরবাড়িতে যান তিনি।
অভিযোগ, সেখানে পৌঁছে বাড়ির সদর দরজায় তালা দেখতে পান শম্পা। পরে জোর করে ঘরে ঢুকে সন্তানের খাবার আনার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। এরপর শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান। প্রথমে পাতুলিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলেও শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। তবে অভিযোগ, একই পাড়ায় বাপের বাড়ি হওয়া সত্ত্বেও শম্পার পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানানো হয়নি।
আজ সকালে বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় শম্পার। এই ঘটনায় শম্পার স্বামী মৃত্যুঞ্জয় দে এবং শাশুড়ি সাধনা দে-র বিরুদ্ধে রহড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন মৃতার বাপের বাড়ির সদস্যরা। কীভাবে শম্পার মৃত্যু হল, তার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্তের দাবি জানিয়েছে পরিবার।