চোরবাগান কাণ্ডে সিট। ৩ মাসে রিপোর্ট
ঘটনা কেউ ওখানে গিয়ে ঘটায় নি। কারুর ভুলে ঘটনা ঘটেছে। এতগুলো নিরপরাধ মানুষের প্রাণ গেছে। সব মিলিয়ে তাল কেটে গেছে। তাই তদন্ত হওয়া দরকার। যে দায়ী তার সাজা পাওয়া উচিত। কারা কতটা দায়ী সেটা তদন্তে প্রমাণ হবে।
পালাবদলের পর বাংলায় প্রথম দুর্গাপুজোয় এতগুলো প্রাণহানি
আমাদের দেশে যে জনসংখ্যা তাতে সর্বত্র এতো বেশি লোক হাজির হয়, যেমন গঙ্গাসাগর, যেমন কুম্ভ মেলা, বিশেষত ধার্মিক অনুষ্ঠান যেখানে মানুষ ভক্তিতে যায় আবেগে যায়, সেখানে এই ধরনের ঘটনা বেশি ঘটে। আয়োজকদের বিশেষ সতর্ক থাকা উচিত। একটু এদিক ওদিক হলেই বিষয়টা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। আর যাতে না হয় আয়োজকদের ভবিষ্যতে নজর রাখা উচিৎ। জমায়েত হলেও সবার দায়িত্ব বাড়ে। তাই সেখান থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিৎ।
এক্ষুনি বিধানসভায় ফ্লোর টেস্ট হলে বিজেপি ২৭৫। দাবি মুখ্যমন্ত্রীর
শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভার নেতা। ওখানে কি হচ্ছে আর কি হবে তার থেকে ভালো কেউ জানে না। তিনি যদি দাবি করেন তাহলে প্রয়োজনে সেটা প্রমাণ হয়ে যাবে। কোনো ইস্যু হলে এর আগে ভোটাভুটি হয়েছে তার ফলাফল আপনারা দেখেছেন।
প্রতিমা বিসর্জন ও সনাতনী বিতর্ক
মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন যে বিসর্জন পর্বে যারা সনাতনী, তারাই শুধু প্রতিমার গায়ে হাত দেবে। এখন ঘাটে যখন বিসর্জন পর্ব চলবে, তখন কে সনাতনী আর কে সনাতনী নয়, অর্থাৎ সেখানে কে আসে? সিঁদুরখেলায় কে আসে? বিজয়া দশমীতে, অষ্টমীতে কিংবা মহাঅষ্টমীতে অঞ্জলি কে দেয়, সনাতনী ছাড়া? তারাই তো পুজো করছে। এই অনুষ্ঠান ও উৎসব বহু মানুষের অংশগ্রহণে পালিত হয়। এই সমস্ত কথার ও গোলমালের কোনো মানে হয় না। যারা শ্রদ্ধার সঙ্গে পুজো করে, তারাই মায়ের সমস্ত আচার-অনুষ্ঠান পালন করে, প্রণাম করে, সিঁদুরখেলা করে এবং অঞ্জলি দেয়—এটাই তো স্বাভাবিক নিয়ম। আর তাই হওয়া উচিত, যাতে কেউ এসে সেখানে তা অপবিত্র করতে না পারে।
বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের শুভ শারদীয়া শুভেচ্ছা বার্তা বিতর্ক
শুভ শারদীয়া তো শেষ হয়ে গেছে, এখন তো শুভ বিজয়া জানাতে হয়। যারা এতদিন ধর্মনিরপেক্ষতার (সেকুলারিজমের) নামে আমাদের সমস্ত কিছুকে বিকৃত করার চেষ্টা করছেন, তাদের মাথা ও বুদ্ধি ঠিক করা দরকার, কারণ তাদের মস্তিস্ক ও বুদ্ধি বিকৃত হয়ে গেছে। আমাদের শুভেচ্ছা না জানালেও কোনো সমস্যা নেই। এ বিষয়ে বক্তব্য জানাতে এমসিপিআই সাংসদ সমাজতান্ত্রিক দলের স্পিকারের কাছে আরও দু’সপ্তাহ সময় চেয়েছেন।
রাজনৈতিক দলবদল ও মালদায় বিজেপি কর্মীকে খুন
মালদাতে বিজেপি কর্মীকে দশমীর দিন নৃশংসভাবে ও নির্মমভাবে খুন করা হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। যদিও এ ধরনের ঘটনা কিছুটা কমেছে, তবুও মানুষের মন থেকে হিংসা একেবারে দূর করা যাবে না। হিংসার পেছনে রাজনৈতিক বা আর্থিক বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। এসব ঘটনার সঠিক তদন্ত হওয়া উচিত এবং এর পেছনের মূল কারণ খুঁজে বের করা দরকার, অন্যথায় এগুলো বন্ধ করা যাবে না।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রশংসা অমিত শাহের
নিঃসন্দেহে এবারের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ছিল একেবারে অভূতপূর্ব। দেশের ও বিশ্বের কাছে একটি হিংসাপ্রবণ রাজ্যে এতগুলো দফায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন হবে এবং তার ফল প্রকাশ পাবে, তা আমরা কল্পনাও করতে পারিনি। নির্বাচন কমিশন এটি সফলভাবে সম্পন্ন করেছে, তাই তাদের প্রশংসা করা উচিত।
দত্তপুকুরে বিস্ফোরক উদ্ধার ও এসটিএফের অভিযান
এই ধরনের বিস্ফোরক, ডিটোনেটার ও মাইন সরবরাহের পেছনে একটি এজেন্সি কাজ করছে এবং বিভিন্ন জায়গায় এদের মডিউল রয়েছে, যা তারা দীর্ঘদিন ধরে করে আসছে। সরকারি তন্ত্র আগে এসব দেখলেও না দেখার ভান করত। তবে এখন সরকার খুব গুরুত্বের সঙ্গে এসব দেখছে। বিশেষ করে পূজা ও দীপাবলির এই সময়ে চারদিকে বাজি ফাটছে এবং এই ফাঁকে যদি বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটে, তবে ব্যাপক প্রাণহানি হতে পারে। সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিষয়টি দেখছে এবং এই ঘটনার পর পুলিশ প্রশাসন পুজোয় অত্যন্ত কড়াকড়িভাবে সবকিছু পর্যবেক্ষণ করছে, যা অত্যন্ত জরুরি। এতে আমরা নিশ্চিন্তে উৎসব উদযাপন করতে পারছি।