ব্যবসায়ীকে মা*র*ধরের অভিযোগ এক তৃণমূল নেতা ও তার দলবলের বিরুদ্ধে
আবারও বরাহনগরে এক ব্যবসায়ীকে টাকা চেয়ে মারধর করার অভিযোগ উঠল এক তৃণমূল নেতা ও তার দলবলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার অভিযোগের ভিত্তিতে বরাহনগর থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ। জানা গিয়েছে, ঐ ব্যক্তি অর্থাৎ সুদীপ্ত ঘোষ বরাহনগর ২নম্বর দেশবন্ধু ঘোষ রোডের বাসিন্দা। তিনি ইনটেরিয়র ব্যবসার সাথে যুক্ত। তিনি অভিযোগ করে বলেন গতকাল রাত ৮টা ১৫ মিনিটে তার ফ্ল্যাটে একাই ছিলেন। সেইসময় কয়েকজন লোক তার ফ্ল্যাটে যান। আর এরপরই তাকে বকেয়া টাকা পরিশোধ না করায় হার্ডওয়্যার জিনিস পত্র বিক্রি বন্ধ করতেই সদলবলে ব্যবসায়ী কে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর এবং প্রানে মারার হুমকি দেয়। অভিযোগের তীর তৃণমূল নেতা এবং INTTUC এর নেতা শংকর রাউতের দিকে। সুদিপ্ত ঘোষের অভিযোগ তার কাছ থেকে ইমারতি হার্ডওয়্যার এর সরঞ্জাম নিতো শংকর রাউত। কিন্তু অনেক টাকা বাকি হয়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ী সুদিপ্ত হার্ডওয়্যার জিনিস দেওয়া বন্ধ করে দেয়। এরপরই গতকাল রাতে তার বাড়িতে নিজের দলের ছেলেদের পাঠিয়ে জোর করে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ ব্যবসায়ী সুদিপ্ত ঘোষের। তবে এ ব্যাপারে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, তৃণমূলের কাজ হচ্ছে এসমস্ত অরাজকতা সৃষ্টি করা। তিনি জানান এটি একটি অপহরণের ঘটনা। এবং বেআইনি অস্ত্র দিয়ে মারধর ও টাকা ছিনতাই করে। তৃণমূলের প্রত্যেকেই দুষ্কৃতী। তৃণমূলেরা রঘু ডাকাতের বংশধর বলে কটাক্ষ করেন তিনি। তবে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে INTTUC এর নেতা শংকর রাউত জানান এটা কোনো রাজনৈতিক ঘটনা নয়। আর তিনি কোনোভাবেই এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। এটি সম্পূর্ণ রাজনীতির বাইরে ও মিথ্যে অভিযোগ। যার জন্য তিনি বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের কাছে পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি আরও বলেন সুদীপ্ত ঘোষ নিজেই শঙ্কর রাউতের নাম করে সবাইকে ভয় দেখায়। পাশাপাশি বরাহনগরের বিধায়ক সায়ন্তিকা ব্যানার্জীও বলেন এটি কোন রাজনৈতিক ঘটনা নয়। এই ঘটনাকে রাজনৈতিক রং লাগানো হচ্ছে। এই ধরনের বিষয়ে যারা রাজনৈতিক রং লাগায় তাদের অন্য বিধানসভায় উকিঝুকি না মেরে নিজের এলাকার মানুষের নাম ভোটারলিস্টে উঠেছে কিনা সেটা দেখা উচিত। তবে প্রশাসনের ওপর আস্থা আছে। প্রশাসন পুরো বিষয়টি দেখছে। দোষীরা অবশ্যই শাস্তি পাবে।