AMAR BANGLA NEWS

কাউগাছি ১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় কেটে ফেলা হচ্ছে বহু শতাব্দী প্রাচীন পুরানো গাছ

কাউগাছি ১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় কেটে ফেলা হচ্ছে বহু শতাব্দী প্রাচীন পুরানো গাছ। আর গাছ কেটে চলছে প্রমোটিং এবং প্লটিং,...

কাউগাছি ১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় কেটে ফেলা হচ্ছে বহু শতাব্দী প্রাচীন পুরানো গাছ। আর গাছ কেটে চলছে প্রমোটিং এবং প্লটিং, পঞ্চায়েত প্রধানের সাফাই তাদের হাত পা বাঁধা,জমি মাফিয়াদের দৌরাত্মে মুখে কুলুপ স্থানিয়দের

অবাধে জমির গঠন পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। এক সময়ের জমির গঠন ছিল বাগান , সেই জমির রুপ পরিবর্তন হয়ে বানিজ্যিক ভাবে ব্যাবহার করা র জন্য অনুমতি পেয়ে যাচ্ছে জমি মাফিয়ারা।রীতিমতো প্লটিং এর ম্যাপ টানিয়ে গাছ কেটে চলছে জমি ব্ক্রির কাজ।

একটি দুটি নয় একের পর এক আম বাগান কেটে বানিজ্যিক ভাবে ব্যাবহার করছে কিছু জমি মাফিয়া।এক সময় কাউগাছি ১ গ্রাম পঞ্চায়েত হিমসাগর আমের জন্য রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পেয়েছে। আজ আর সেই আম বাগানের চিহ্নি মাত্র নেই।

যে গুটি কয়েক আম বাগান রয়েছে তাও গাছ কেটে প্লট করে বিক্রি করে দিচ্ছে জমি মাফিয়ারা। যেমনভাবে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে কাউগাছি ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের নীলতলা এলাকার জগদীশ মিত্রের বাগান ।

পঞ্চায়েত প্রধানের দাবি তারা যখন খবর পায় ব্যাবস্থা নেয় প্রশাসন কে জানায়। কিছু দিন কাজ বন্ধ থাকে তাঁর পর,ঐ জমি মাফিয়া রা, বি এল ও দপ্তর থেকে জমি কনভারসান করে নিয়ে আসে, নিয়ে আসে বন দপ্তরের পারমিশন। তাদের আর কিছু করার থাকে না। তাদের হাত পা বাঁধা।

প্রশ্ন উঠছে কি ভাবে জমি কনভারসান হচ্ছে। বাগান জমি কি ভাবে কমারসিয়াল বাস্তুজমিতে পরি বর্তিতো হচ্ছে। যে খানে বড় বড় আম গাছ আছে।

পাশাপাশি কি ভাবে বনদপ্তর কি ভাবে গাছ কাটার পারমিশন দিচ্ছে। এটা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন।ক্যামেরার সামনে কিছু না বলতে চাইলেও বনদপ্তরের অধিকারি জানাচ্ছেন তাদের কিছু করার নেই জমির গঠন পরিবর্তন করে নিয়ে আসা হচ্ছে তাই তারা কিছু করতে পারছেন না। অনুমতি দিতে হচ্ছে গাছ কাটার। গাছ কাটলে আরবার গাছ লাগানোর কথা দিতে হয় বনদপ্তর কে। তার জন্য কিছু টাকা বনদপ্তরের কাছে জমা রাখতে হয় টাকার পরিমাণ শুনলে চমকে উঠতে হয়,গাছ প্রতি ৬০০ টাকা। সে গাছের বয়স যেমন ই হোক।প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং বলছেন তিনি এই গাছ কাটা নিয়ে কোট খুললে অভিযোগ জানাবেন। এবং কিপ সেক্রেটারি, বনমন্ত্রী, বনদপ্তরের সেক্রেটারি, প্রত্যেককে পার্টি করবেন এবং কোর্টের হস্তক্ষেপে তদন্তের দাবি করবেন।