আসানসোল শিল্পাঞ্চলে উত্ত*প্ত পরিস্থিতি তৃণমূলের একাধিক কার্যালয়ে আ*গুন, ভা*ঙচুর
নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন থেকেই আসানসোল শিল্পাঞ্চলে ক্রমশ বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনা। মঙ্গলবার গভীর রাতে আসানসোল কোর্ট মোরে তৃণমূল কংগ্রেসের একটি দলীয় কার্যালয়ে আগুন লাগানোর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকাজুড়ে। সেই আগুনের ফলে একটা কেকের দোকানেও আগুন লেগে যায়। তদন্ত হলেই বোঝা যাবে কি ভাবে হল এই ঘটনা।
পাশাপাশি রুপনারায়ণপুর টোল প্লাজা, কুমারপুর, কুলটি, রানীগঞ্জ, জামুরিয়া, বারাবনি এবং বার্ণপুরে একাধিক দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এমনকি কিছু কার্যালয় গেরুয়া রঙে রাঙিয়ে দেওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, এই ঘটনাগুলিকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হলেও অনেকেই আবার ছাড়া পেয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ। ফলে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে। অনেকেই বাড়ি থেকে বের হতেও ভয় পাচ্ছেন।
অন্যদিকে, বিজেপির পক্ষ থেকে এই ঘটনায় সরাসরি দায় অস্বীকার করা হয়েছে। নির্বাচনের ফলাফলের দিন থেকেই নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়করা দাবি করে আসছেন, এইসব ঘটনা দলের কোনও কর্মী করছে না। তাদের বক্তব্য, কিছু দুষ্কৃতী বিজেপির নাম ব্যবহার করে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।
এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi-র পূর্বের বক্তব্যও উঠে আসছে। তিনি রাজ্যে নির্বাচনী প্রচারে বারবার বলেছিলেন, “ভরসা ইন, ভয় আউট।” কিন্তু বাস্তবে এখনও সহিংসতা না থামায় প্রশ্ন উঠছে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে।
ঘটনার খবর পেয়ে আসানসোল উত্তরের নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্য নেতা Krishnendu Mukhopadhyay ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানান।
তবে সব পক্ষের দাবি-প্রতিদাবির মাঝেও বড় প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে—কেন থামছে না এই পোস্ট-পোল হিংসা? প্রশাসন এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছে তার উত্তর এখনও অধরা।।