সাত সকালে র*ক্তা*ক্ত হয়ে উঠল উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা থানার কারোলা গ্রাম।
স্বামীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম এক গৃহবধূ। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তবে স্থানীয়দের একাংশের অনুমান, এই ঘটনার পেছনে থাকতে পারে ত্রিকোণ প্রেমের জটিলতা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কারোলা গ্রামের বাসিন্দা সুশান্ত মন্ডলের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন গাইঘাটার বাসিন্দা সুপর্ণা সরকার। কয়েকদিন আগে সেখানে বেড়াতে আসেন তার বান্ধবী দীপা মন্ডল। দীপার স্বামী শম্ভু সরকারের বাড়ি গাইঘাটা থানার ধরমপুর এলাকায়।
অভিযোগ, শনিবার সকালে আচমকাই ওই বাড়ির সামনে হাজির হন শম্ভু সরকার। সেখানে নিজের স্ত্রী দীপাকে দেখতে পেয়েই ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে পরপর আঘাত করেন বলে অভিযোগ। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন গৃহবধূ।
চিৎকার শুনে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযুক্তকে ধরার চেষ্টা করা হলে সুযোগ বুঝে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় সে। পরে ওই বাড়িতে কাজ করতে আসা কয়েকজন ব্যক্তি আহত গৃহবধূকে উদ্ধার করে দ্রুত নিয়ে যান চাঁদপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে।
আহত গৃহবধূর অভিযোগ, তার স্বামী নিয়মিত কাজকর্ম করেন না, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় থাকেন এবং দীর্ঘদিন ধরেই তাকে সন্দেহ করতেন।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় গাইঘাটা থানার পুলিশ। প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করার পর গুরুতর আহত অবস্থায় পুলিশি সহায়তায় ওই গৃহবধূকে পাঠানো হয় বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অভিযুক্ত শম্ভু সরকারের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। পুরো ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে গাইঘাটা থানার পুলিশ।